You need to upgrade your Flash Player.
 
 
 Chamber:
 Burdwan...
"Mayer Ashirbad", Chotonilpur, 
Kuchulpukur Par
P.O.- Sripally, Burdwan-7131013
Mobile: 09434313121, 09614582409
 Boarding and Lodging...
Boarding and lodging facilities are available for patients.
Mobile: 09434313121

 

 
ডাঃ বাবুলাল দে ও চুম্বক চিকিৎসা

দীর্ঘদিন যাবৎ অক্লান্ত শারীরিক ও মানসিক পরিশ্রম এবং অর্থ ও সময়ের প্রভূত ক্ষতি স্বীকার করে ধৈর্য্য সহকারে চুম্বক চিকিৎসা জনসাধারণকে বুঝিয়ে চলেছি আমি জানি বেশ কিছু ব্যক্তি আমার এই কাজকে ব্যঙ্গ করছে এবং নিজে উপলব্ধি হতে বঞ্চিত হয়ে অন্যকেও বিভ্রান্ত করছেন
দেখুন জীবনের সব কিছুই প্রায় অসার
সার বস্তু খুব সামান্য, ঐ সামান্য সার বস্তুর উপর নির্ভর করে আপনাদের এইটুকু বলতে পারি যে আমার কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা দ্বারা এমন একটি সার বস্তুর দিকে আপনারা তাকালে দেখবেন এই দুস্থ সমাজে বহু অসুস্থলোক এই সার বস্তুর (চুম্বক চিকিৎসা) প্রয়োগের দ্বারা সর্ব রোগে জয়ী হয়ে দুর্বল ব্যক্তি সবল হবেন
শ্রদ্ধেয় পাঠকগণের কাছে অনুরোধ এমন এক মহামূল্যবান চিকিৎসা পদ্ধতি হেলায় হারাবেন না
আপনারা আসুন, দেখুন এবং জানুন আমি নিশ্চিত যে এ এক মহান শক্তির শ্রেষ্ঠ উৎস যার মধ্যে অসাধ্য সাধন লুকায়িত

পূর্বকথা 
আমার চুম্বক চিকিৎসক হিসাবে প্রতিষ্ঠা পাবার পূর্বে এক ঘটনা ঘটে
আমি সেই সময় অন্য একটা ব্যবসায়ে একদিন একনাগারে দীর্ঘক্ষণ একভাবে বসে থেকে কাজ করার পর উঠে বাথরুমে গেলাম বাথরুম হবার পর উঠতে গিয়ে উঠতে পারি না দোকানের কর্মচারীরা ধরাধরি করে কোন রকমে বাড়িতে নিয়ে আসলো সমস্ত শরীরে অসহ্য যন্ত্রনা, হাড়গোড় যেন ঢিলে হয়ে বেরিয়ে আসতে চাইছে বর্ধমানের খোসবাগানে অর্থপেডিক একজন বড় ডাক্তারের কাছে নিয়ে এলো ডাক্তারবাবু যথারীতি পরক্ষা নিরক্ষা করার পর পুরো শরীরে এক্সরে সহ নানা প্যাথোলজিক্যাল পরক্ষা করালেন সেই অনুসারে চিকিৎসা চলতে লাগলো কিন্তু অনেক ঔষধ খেয়েও ব্যথা ও শরীরের যন্ত্রণার কোন লাঘব না হয়ে অসুখের মাত্রা ক্রমশই বেড়ে যেতে লাগলো শরীরের আকৃতি ত্রিভঙ্গ আকার ধারণ করলো যথারীতি ডাক্তার পাল্টানো হল তারও একই কথা সময় লাগবে নতুন করে আবার প্রেসক্রিপশন দেওয়া হল সেই অনুসারে ঔষধ খেলাম কিন্তু রোগের এবং ব্যথা যন্ত্রণার কোন উপশম হল না

মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচার একটা উপায় বের হলো
বাড়িতে আমি যখন মরণাপন্ন অবস্থায় শয্যাশায়ী
, মৃত্যুর দিন গুনছি সেই সময় আমার বাড়িতে শ্রী নিমাই সোম নামে একজন ইনসিওরেন্স অফিসার ভাড়া থাকতেন একদিন দুপুরে নিমাইবাবুর ভাইপো যিনি সেনাবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন তিনি সস্ত্রীক আমার বাড়িতে ঘন্টা দুই একের জন্য আসেন নিমাইবাবুর ভাইপো বাড়ির সকলের কান্নাকাটি ও আমার অসুখের কথা শুনে বললেন তার স্ত্রী দীর্ঘ দশবছর ঘাড়ের যন্ত্রণার কষ্ট পাচ্ছিলেন চুম্বক চিকিৎসা দ্বারা সুস্থ ঠিকানা দিলেন- শ্রী নীরেন সিন্হা, শ্রীরামপুর, শিরিশতলা, হুগলী এবং বললেন আমাকে যেন নীরেনবাবুর কাছে একবার নিয়ে গিয়ে চুম্বক চিকিৎসা করানো হয় কিন্তু এরকম এক মরণাপন্ন রোগীকে অতটা দূরের রাতায় কি করে নিয়ে যাওয়া যায় বাড়িতে সকলেই ভাবছে কি করে ওই রোগীকে অতদূরে নিয়ে যাওয়া যায়

চুম্বক চিকিৎসকের নিকট আনা ও চিকিৎসা করতে রাজী না হওয়া
একদিন আমাকে দেখতে আসেন বর্ধমানের নতুনপল্লী নিবাসী শ্রী মণি দত্ত
তিনি আমার বহু দিনের বন্ধু আমি তাঁকে বলি, শ্রীরামপুরের নীরেন সিন্হার কাছে আমাকে নিয়ে যাবার কথা তখন তিনি আমাকে বললেন তার অফিসের এক সহকর্মী শ্রী সন্ন্যাসী দালাল এই চিকিৎসা করেন তাহার বাড়ি বর্ধমানের তৈলমারুই পাড়ার সতীমা তলায় তাকেই দেখানো যেতে পারে বন্ধু মণিই একদিন আমাকে দুই তিনজনের সহায়তায় ভ্যান রিক্সায় চাপিয়ে সন্ন্যাসীবাবুর বাড়ি নিয়ে যান তিনি আমার এই মরণাপন্ন ও যন্ত্রণাকাতর অবস্থা দেখে বললেন, এই রোগীর চিকিৎসা আমার দ্বারা হবে না অনর্থক সময় নষ্ট, এনাকে নিয়ে যান শেষ বারের মত আমি ও মণিদা অনুরোধ করলাম সন্ন্যাসী চেষ্টা করে দেখ, একবার চিকিৎসা শুরু কর আমি লিখে দিচ্ছি রোগীর খারাপ কিছু হলে তুমি দায়ী থাকবে না আমরা তোমাকে কোন ভাবেই দায়ী করব না, রোগীর মৃত্যু হলেও না অবশেষে আমার কাতর অনুরোধে তিনি রাজি হলেন, বিনিময়ে তাকে লিখে দিতে হল এই রোগীর মৃত্যু ঘটলে চিকিৎসক দায়ী থাকবেন না রোগীর সমস্ত দায়িত্ব বাড়ির লোকেদের তখন রাজি হয়ে সন্ন্যাসীবাবু বললেন এখন যান, আগামী কাল বিকালে আসবেন এবং রোগীর একটি ফটো দিয়ে যান, ডাউজিং করে দেখবো রোগ সারবে কিনা এই সন্ন্যাসীবাবু তৈলমারুই পাড়ায় আছেন এবং কালেক্টরীতে এখনও ৫-৬ বৎসর চাকরী করবেন

আমার মৃত্যুর জন্য ডাক্তার দায়ী থাকবে না মুচলেখা দিতে হল
পরের দিন যথারীতি মণিদাকে সঙ্গে নিয়ে আমার স্ত্রী সহ তার বাড়ি যাই
আমি ভ্যানে শায়িত আছি সন্ন্যাসীবাবুকে আগেই মুচলেখা লিখে দেওয়া হয়েছে তিনি তার চুম্বকের নানা উপাচার দিয়ে চিকিৎসা শুরু করলেন প্রতিদিন বাড়ির লোকেরা ভ্যান রিক্সায় আমাকে সন্ন্যাসীবাবুর বাড়ি নিয়ে যায় চুম্বক চিকিৎসা করার জন্য চিকিৎসার সাতদিন পর মনে হল কোমরের হাড়ের গভীর সামান্য একটু ভাল বোধ হচ্ছে চিকিৎসার একমাস পর মনে হল চুম্বক চিকিৎসায় আমার শরীরের আঁকাবাঁকা হাড়গুলো একটু একটু করে বসতে শুরু করেছে এবং কিছুটা আরামও পাচ্ছি এইভাবে চুম্বক চিকিৎসা দ্বারা দ্বিতীয় ও তৃতীয় মাসে অনেকটা ভাল মনে করলাম হাড়গোড়গুলো স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসছে চুম্বক চিকিৎসার ঠিক ছয়মাস পর উঠে দাঁড়াতে ও হাঁটতে পারলাম চুম্বক চিকিৎসা দ্বারা বাবুলাল ভাল হবে, এই বিশ্বাস আমার মনে দৃঢ়ভাবে বাসা বাঁধলো ঠিক একবছর পর আমি পরিপূর্ণ সুস্থ হয়ে গেলাম এ এক অত্যাশ্চর্য ঘটনা আমার স্থির বিশ্বাস জন্মালো রোগ সারাবার চুম্বকীয় শক্তির জুড়ি মেলা ভার সেই সঙ্গে আমার আরাধ্য দেবী শ্রী শ্রী ঁতারামায়ের অপূর্ব শক্তি ও আশীর্ব্বাদ কাজ করেছে এবং আমার স্বর্গীয় গর্ভধারিণী মায়ের দুহাত ভরা আশীর্ব্বাদ তো আছেই

চুম্বক চিকিৎসার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও আমার চিকিৎসক হওয়া
যখন সন্ন্যাসী দালালদার চুম্বক চিকিৎসা চলছে এবং আমি ক্রমশঃ ভার হতে শুরু করেছি সেই সময় থেকে আমি এই অত্যাশ্চর্য চিকিৎসার ব্যাপারে খোঁজ খবর নিতে শুরু করি
এ বিষয়ে অভিজ্ঞ চিকিৎসক কে কে আছেন, তাদেও ঠিকানা এবং এই সংক্রন্ত বিষয়ে পুস্তকাদি কোথায় পাওয়া যায় ও চুম্বক চিকিৎসা ক্থোয় পড়ানো হয় ইত্যাদি বিষয়ে তথ্যাদি সংগ্রহ করতে চেষ্টা শুরু করি স্থির করলাম ভাল হয়েই ওঁনাদের সঙ্গে যোগাযোগ করব আমি এখন সম্পূর্ণ রূপে সুস্থ আছি হাঁটা-চলা, কাজকর্মে এই সত্তর বছর বয়সেও যুবা পুরুষদের থেকে দশগুণ বেশি এবং মেধা শক্তিও বহুগুণ বৃদ্ধি পায় এটা আপনারা বলতে পারেন, কিন্তু আমি আজও গর্বের সঙ্গে বলি এটা চুম্বক চিকিৎসার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আমার কর্মদক্ষতা দেখে আমার সমবয়সী বন্ধু-বান্ধবরা আশ্চর্য্য হয়ে যান এর বেশি বললে নিজের ঢাক নিজেই পেটানো হয় সর্বশেষে বলি আমার কোষ্ঠ্যকাঠিন্য এবং গ্যাস অম্বল চিরস্থায়ী ছিল আজ পঁচিশ বছর যাবৎ ওসবের কোন বালাই নেই সন্ন্যাসীদা প্রকৃত অর্থে একজন সন্ন্যাসী বাবার কাজ করেছেন যতদিন বাঁচবো তাঁর কথা মনে রাখবো তার কাছে আমি চির ঋণী হয়ে থাকলাম এবং তাঁকেই আমার চুম্বক চিকিৎসার গুরু বলে মেনে নিয়েছি মা ঁতারার আশীর্ব্বাদে যখন থেকে সুস্থ হলাম, আমি কেয়া তলা শ্রী এইচ. পি. মাহাতোর সঙ্গে যোগাযোগ করি দুই বছরের চুম্বক চিকিৎসকের একটা স্বপ্লকালীন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ভর্ত্তি হই সেখান থেকে World Telepathy, Diploma in Magneto Therapy এবং Registered Medical Practitioner  এর শংসাপত্র অর্জন করি এছাড়াও জ্যোতিষশাস্ত্রে স্বর্ণপদক প্রাপ্ত হই চুম্বক চিকিৎসায় ডিপ্লোমা অর্জন করার পর আমি কলকাতার মাড়োয়ারী হাসপাতালে চুম্বক চিকিৎসা বিভাগে যাতায়াত করি এবং তাদের চিকিৎসা পদ্ধতি দেখতে থাকি সেখার থেকেও হাতে কলমে অনেক শিক্ষা লাভ করি

চুম্বক চিকিৎসা শুরু করলাম
চুম্বক চিকিৎসায় প্রশিক্ষাণ শেষ হবার পর আমি স্থানীয়ভাবে সম্পূর্ণ বিনা পয়সায় চিকিৎসা শুরু করি
, অনেকক্ষেত্রে রোগীদের আমার চিকিৎসার উপকরণ বিনা পয়সায় দিতাম ফলে আমার পরিচিতের পরিধি বাড়তে লাগলো, অনেক রোগী খোঁজ খবর নিয়ে বাড়িতে এসে চুম্বক চিকিৎসায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে যেতেন

বর্ধমানের রায়ব্রাদার্সের কর্মী টাউন হল পাড়ার সাধন ভট্টাচার্য্য-এর ১৫ বছরের একটি ছেলে দুই হাঁটুর পীড়ায় ২ বছর যাবৎ পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে ছিল বালকটি মিউনিসিপ্যাল বয়েজ স্কুলের নবম শ্রেণীর ছাত্র এবং ছেলেটি লেখাপড়ায় ভাল হবার পাশাপাশি ক্রিকেট খেলাতেও দক্ষ ছিল সে এখন অসহায় পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছে উঠে দাঁড়াবার মতা নেই ব্যথা ও যন্ত্রণায় কাতর অর্থপেডিক ডাক্তার বালকটির দুই হাঁটু থেকে ইনজেকশনের মাধ্যমে রক্তরস বের করতেন কিছুদিন পর ছেলেটির অবস্থা আরও শোচনীয় আকার ধারণ করল সাধনবাবু যখন তার ছেলের অসহায়ের কথা বলে রায়ব্রাদার্সের দোকানে কান্নাকাটি করছিলেন সেইসময় দোকানে ছিলেন অধ্যাপক মহীতোষ ব্যানার্জীও (জুলজি বিভাগের প্রধান, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়), তিনি সাধনবাবুকে বললেন তুমি বর্ধমানের ছোটনীলপুরে বাবুলাল দে-র সঙ্গে দেখা করো তোমার কোন ভয় নেই, বাবুলালের চুম্বক চিকিৎসায় তোমার ছেলে ভাল হযে যাবে

বালকটির অবস্থা দেখে মনে হল আমার রোগের থেকেও খারাপ
শ্রী সাধন ভট্টাচার্য্য আমার সঙ্গে দেখা করেন এবং বলেন যে অধ্যাপক মহীতোষ ব্যানার্জী পাঠিয়েছেন
তার ছেলে পঙ্গু হয়ে যাবার পূর্বাপর সমস্ত ঘটনা বর্ণনা করেন পরদিন সময় করে সাধনবাবুর টাউন হল পাড়ার বাড়িতে গিয়ে তার ছেলেকে দেখে আসি বালকটির বয়স তখন ১৫ বছর তার করুন দশা দেখে আমার চোখে জল এসে গেল কারণ আমার থেকেও এর অসুস্থতার মাত্রা অনেক বেশি আমাকে দেখে সাধনবাবু দুহাত দিয়ে জড়িয়ে ধরে বলতে লাগলেন - আপনি আমার ছেলেকে বাঁচান আমি ছেলেটিকে ভাল করে দেখে নিয়ে বললাম - আগামীকাল আমার বাড়ির চেম্বারে নিয়ে আসুন পরদিন ছেলেটির বাবা ও দাদা ভ্যান রিক্সায় ছেলেকে কোলে শুইয়ে আমার বাড়িতে নিয়ে আসেন আমি ছেলেটিকে দেখেশুনে চিকিৎসা শুরু করি এবং তাদের অসুস্থ ছেলেটির খাওয়া-দাওয়া সম্বন্ধে নির্দেশ দিই এবং এও বলি আমি যা বলব তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে হবে অসুস্থ বালকটি ও তার বাড়ির লোকজনদের অসহায়তার কথা চিন্তা করে ৩০ দিন পর বলি, আপনাকে ছেলে নিয়ে আমার এখানে আসতে হবে না, আমিই আপনার বাড়ি গিয়ে ছেলের চিকিৎসা করব

পঙ্গু বালকটির উপর আমার প্রথম পরীক্ষা ও সফলতা লাভ
আমি যে কাজ করি শতকরা দুইশতভাগ নিখুঁত করার চেষ্টা করি এবং এও দেখি আমার রোগীরা এবং রোগীর বাড়ির লোকেদের আমার উপর কতটা বিশ্বাস আছে
যখন দেখলাম সাধনবাবু সম্পূর্ণভাবে আমাকে বিশ্বাস করে আত্মসর্মপণ করেছেন তখন আমি পুরাদমে আমার চিকিৎসা শাস্ত্রের যা কিছু আছে সঙ্গে সঙ্গে প্রয়োগ করলাম আমার স্ত্রী শ্রীমতি গৌরী দে এবং আমি দুজনে মিলিতভাবে বালকটির চিকিৎসা ইলেকট্রোম্যাগনেট ম্যাসাজ করি ছেলেটির নাম শ্রীমান সঞ্জীব ভট্টাচার্য্য প্রথমে Electro Magneto Therapy দিয়ে চিকিৎসা শুরু করি এছাড়া  হাঁটুর বেল্ট, কোমর বেল্ট এবং ম্যাসাজ দিতে থাকি ছেলেটি আমার Magnet Treatment পেয়ে দুই মাসের মধ্যেই সম্পূর্ণ ভাল হয়ে গেল সে আজ মাষ্টার ডিগ্রি করে চাকরী করে এবং সংসার ধর্ম পালন করছে তার শরীরে কোন রকম কষ্ট আজ নেই তাই চুম্বক চিকিৎসাকে বলা হয় প্রকৃতি বিজ্ঞানের চিকিৎসা এই চিকিৎসার কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই বরং পূর্বাবস্থা থেকেও শারীরিক শক্তি ও মেধাশক্তি বৃদ্ধি কর, একজন কৃতি মানুষ হিসাবে সমাজে প্রতিষ্ঠা পায় শ্রীমান সঞ্জীব ভট্টাচার্য্য সম্পূর্ণ রোগমুক্ত হবার পর আমার আত্মবিশ্বাস আরও দৃঢ় হল এবং মনে হল চুম্বক চিকিৎসা যে কোন দুরারোগ্য ব্যধিগ্রস্থ রোগীকে সম্পূণৃ সুস্থ করতে পারে যদি সে চিকিৎসকের দেওয়া নিয়মকানুনগুলি ঠিক ঠিক পালন করে যেমন বেল্ট বাঁধা, ম্যাসাজ, চুম্বক জল পান এবং খাওয়া-দাওয়ায় বিশেষরপে নজর দেওয়া এ বিষয়ে শ্রীমান সঞ্জীব ও তার বাড়ির অভিভাবক সম্পূর্ণরূপে সহযোগীতা করেছেন অতএত ডায়েটিংটা অত্যন্ত জরুরী ম্যাগনেট থেরাপি ছাড়াও চলতে থাকে কালার থেরাপি, সাউথপোলে সরিষার তেল তৈরী করে তা শরীরে মেখে আধঘন্টা রোদে থাকা, কুলত্থ কলাই ভেজানো জল প্রতিদিন সকালে খাওয়া, জামের ছাল ভেজানো জল, সেই সঙ্গে চলতে থাকে হোমিও চিকিৎসা হোমিও ঔষধ হিসাবে প্রয়োগ হয় কালমেঘ মাদার, সিঝিয়াম মাদার, ক্যালকেরিয়া ফস, ফেরাম ফস ইত্যাদি হাড়কে মজবুত করার জন্য দেওয়া হত টেংড়ির জুস

বাইরের জগতে সফলতার সঙ্গে চিকিৎসা
শ্রীমান সঞ্জীব ভট্টাচার্য্যরে চিকিৎসায় সফল হবার পর আমি আমার চিকিৎসার ক্ষেত্র প্রসারিত করে দিই
পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া এবার উত্তরবঙ্গের কোচবিহার, শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি এবং আসাম শিলচর থেকেও ডাক আসতে থাকে সেখানে এক দুইমাস থেকে আর্ত মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করি এখন এই চিকিৎসা আমার কাছে সাধনার ক্ষেত্র BSF এর বিভিন্ন জায়গা থেকেও আমার চুম্বক চিকিৎসার জন্য ডাক আসতে থাকে সেখানকার উচ্চপদাধিকারিকগণ আমার চুম্বক চিকিৎসায় চমৎকারীত্ব দেখে তাদের জওয়ানদের মধ্যে এই চিকিৎসাকে প্রসারিত করার জন্য সৈনিক সম্মেলনের আয়োজন করেন এবং সেখানে তাদের কাছে আমার চিকিৎসার কথা বক্তৃতা আকারে বলি, ডেমো দিই বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে সেনাবাহিনীর অন্দরমহলে গিয়ে চিকিৎসায় জনপ্রিয়তা লাভ করা দুঃসাধ্য ব্যাপার সেনাবাহিনীর ভিতরের গোপনীয়তা ও শৃঙ্খলাভঙ্গের কারণে সেনা ছাউনিতে সাধারণের প্রবেশ নিষেধ থাকে ২০০৮-০৯ ও ২০১০ সালে NDRF সেনাবাহিনীর আধিকারিক ও জওয়ানদের কয়েক দফা গিয়ে চিকিৎসা করে আমি এবং সেখানকার কমান্ডেন্ট সৈনিক সম্মেলনের আয়োজন করে সকলের মাঝে আমার চিকিৎসা সম্বন্ধে বক্তৃতা করান Natural Disaster Rescue Force এর অফিসার্স ও জওয়ান ছাড়াও তাদের পরিবার পরিজন সহ আমার বক্তৃতা শোনেন এবং ডেমো দেখেন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা এই সব সেনা অফিসার্স ও জওয়ানদের দেশের আত্মীয় পনিজনরাও আমার চুম্বক চিকিৎসা প্রাপ্ত হয়ে অসুস্থ অবস্থা থেকে সুস্থ হয়েছেন এদের মধ্যে বেশিরভাগ দুরারোগ্য ব্যধিগ্রস্থ ও ডাক্তারের জবাব দিয়ে দেওয়া আত্মীয় পরিজন যেমন একটা উদাহরণ দিই- একদিন হাবিবগঞ্জ ভূপাল (মধ্যপ্রদেশ) থেকে একটি ফোন পাই যে একটি বালক প্যারালাইসিস রোগ গ্রস্থ তার চিকিৎসার প্রয়োজন সেখানে গিয়ে সম্পূর্ণভাবে Magnet Therapy দ্বারা বালকটিকে সুস্থ করে তুলি, সেখানকার আশেপাশে বেশ কিছু মানুষের চুম্বক চিকিৎসার ব্যবস্থাও করে আসি আমার এই প্রকৃতি বিজ্ঞানের চিকিৎসা শুধুমাত্র আজ আর পশ্চিবঙ্গে সীমাবদ্ধ নেই ভারতের বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চলে গিয়ে এই চিকিৎসা করি শুধু চাই তাদের আন্তরিক ভালবাসা ও বিশ্বাস তাদের ডাক পেলে দুর্গম থেকে দুর্গমতম স্থানে ছুটে যাই ২০১২ সালের এপ্রিল মাসে আইজল, মিজোরামের BSF Camp এর Commanding Officer, DIG পদমর্যাদার আধিকারিকগণের পরিবারবর্গের চুম্বক চিকিৎসা করে আসি এবং ভাল না হওয়া পর্যন্ত ওখানেই থাকি আমার বলার একটাই উদ্দেশ্য প্রকৃতি বিজ্ঞানের অফুরন্ত শক্তি, চুম্বক শক্তির কি মহিমা আমি প্রথম নিজেকে দিয়ে উপলব্ধি করেছি এটা আমার অজানা বিষয় নয়

২০১২ সালে জব্বলপুরে একজন সেনাকর্মীর পারকিনসন রোগের চিকিৎসা করতে গিয়ে আরও পনেরো জনের চিকিৎসা করে আসি জব্বলপুরে দুই সেনা অফিসারের পিতা শ্রী রমাকান্ত শাস্ত্রীজীর চিকিৎসা করি পূর্বেই বলেছি গৌহাটির BSF Camp এ গিয়ে তাদের অফিসার্স, জওয়ান ও তাদের পরিবারবর্গের চিকিৎসা করি তারা কোন চিকিৎসা বোঝেন না, বোঝেন শুধু কিউরোপ্যাথী এবং আমার চিকিৎসার উপর ভরসা, তাই তাদের সাদর আমন্ত্রণ পেলেই সেখানে ছুটে যাই আমার কিউরোথেরাপির মাধ্যমে তারা আমার আপনজন ও প্রিয়জন হয়ে উঠেছেন মা ঁতারার পীঠস্থানে আমাকে এক ডাকে ম্যাগনেট বাবা নামে জানে কামরূপ কামাখ্যা মায়ের স্থানে আমাকে চুম্বক বাবা নামে সকলে চেনে কুম্ভের বহু সাধু সন্ন্যাসীদের এবং তারাপীঠ ও কামরূপ কামাখ্যাতেও সাধুদের চিকিৎসা করে ধন্য হয়েছি এসব শুধু কথার কথা নয়, আপনারা পরখ করে দেখতে পারেন ওইসব জায়গায় তীর্থ করতে গিয়ে যে ওখানকার সাধু সন্ন্যাসীরা চুম্বক বাবা বা ম্যাগনেট বাবা নামে কোন চিকিৎসককে চেনেন কিনা শুধু বলতে চাই প্রকৃতি বিজ্ঞানের কী অপূর্ব মহিমা যা না লিখে পারা যায় না যে কোন মানুষ এই প্রকৃতি বিজ্ঞানের সাহায্য নিয়ে নিজে ও তার পরিবার পরিজন সকলের চিকিৎসা করতে পারেন এবং একই উপকরণ বা চুম্বক সামগ্রী দিয়ে পরিবারের অন্যদেরও চিকিৎসা চরতে পারে যেমন- নানা আকার ও প্রকারের চুম্বক বেল্ট, বিভিন্ন পাওয়ারের চুম্বক, চশমা এবং এ্যাকুপ্রেসারের যাবতীয় সামগ্রী পরিবারের অন্যরাও ব্যবহার করতে পারেন বারংবার ক্রয় করার প্রয়োজন হয় না এবং এই চিকিৎসায় কারোর কোন ক্ষতি বা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয় না একমাত্র প্রেসমকার বসানো রোগী বাদে সকলেই সুস্থ হয়ে জীবনকে উপভোগ করতে থাকেন ওইগুলি পারিবারিক সম্পত্তিরূপে রেখে দেওয়া চলে তাই বলা হয় Two magnet means a doctor at your home(N Pole S Pole).

 

Home | About Dr. Dey | Videos | Patients' Feedback | Contact Us